একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হতে যাচ্ছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু সব শিক্ষার্থীকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনকারীদেরও এই সময়ের মধ্যেই আবেদন করতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের পর যাদের ফলাফলে পরিবর্তন আসবে, তারা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নতুন করে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
আবেদন ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীদের ভর্তি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরদিন ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির পাঠদান শুরু হবে।
এদিকে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় কোনো শিক্ষার্থী কলেজ বা মাদ্রাসায় ভর্তির সুযোগ না পেলে, পছন্দের প্রতিষ্ঠান না পেলে কিংবা কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ে আবেদন করতে না পারলে পরবর্তী সময়ে পুনরায় আবেদনের সুযোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
এবার এসএসসি ও সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চার লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছে।
এর মধ্যে তত্ত্বীয় পরীক্ষার খাতার জন্য আবেদন হয়েছে ১০ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি। ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য আবেদন পড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজারেরও বেশি।
গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন।
তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। অর্থাৎ প্রায় সাত লাখ পরীক্ষার্থী এবার পাস করতে পারেনি।
অন্যদিকে, সারাদেশে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রায় ২৫ লাখ আসন রয়েছে। ফলে এবার উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসন খালি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে আসনসংখ্যা বেশি হলেও ভালো ফল করা সব শিক্ষার্থী পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার নিশ্চয়তা পাবেন না।
কারণ, নামী ও জনপ্রিয় কলেজগুলোর আসন তুলনামূলকভাবে সীমিত। চলতি বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।
এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন।
ফলে একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের পছন্দের কলেজ নির্বাচন, আসনসংখ্যা এবং মেধাক্রম—সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
এসআর