[email protected] সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

ইবিতে ‘চব্বিশের জুলাই: জন আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনার

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২ আগষ্ট ২০২৬ ৪:৩৪ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘চব্বিশের জুলাই: জন আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের গগন হরকরা মিলনায়তনে শিক্ষক সংগঠন গ্রীন ফোরাম এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন গ্রীন ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন এবং প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান। বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, জনগণের প্রত্যাশা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

সেমিনারের সার্বিক সমন্বয় করেন গ্রীন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম। বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. নাছির উদ্দিন মিঝি।

এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন বলেন, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি বলেন, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান বলেন, দেশের আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি আন্দোলনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

তিনি আরও বলেন, কোটা ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন থেকেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সূচনা হয়েছিল, যা পরে বৃহত্তর গণআন্দোলনে পরিণত হয়।

শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি কৃষক, শ্রমিক, ভ্যানচালক, শিক্ষক, মুচিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ এ আন্দোলনকে সর্বজনীন রূপ দেয়।

উপাচার্য বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।

একই সঙ্গে বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

এসআর

সম্পর্কিত খবর