[email protected] শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

প্রাথমিকে শিক্ষক বদলি নীতিমালায় পরিবর্তন, যুক্ত হলো ৭ নতুন শর্ত

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ জুলাই ২০২৬ ৮:৪৩ পিএম

সংগৃহীত ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলি নীতিমালায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে সরকার।

সংশোধিত নীতিমালায় বদলি পদায়ন কমিটির কাঠামোতে পরিবর্তনের পাশাপাশি শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে সাতটি নতুন শর্ত সংযোজন করা হয়েছে।

এর আগে জারি করা নীতিমালায় উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয়—এই চার স্তরে বদলি–পদায়ন কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছিল।

তবে কমিটিতে ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’ অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা ওঠায় সরকার সেই বিধান সংশোধন করেছে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় কমিটিতে সভাপতির মনোনীত দুইজন ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’র পরিবর্তে দুইজন শিক্ষানুরাগী বা বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে রাখা হবে।

জাতীয় পর্যায়ের কমিটিতেও নেতৃত্বে পরিবর্তন এসেছে। এখন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

সদস্য হিসেবে থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (বিদ্যালয়), আর সদস্যসচিবের দায়িত্বে থাকবেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন)।

বদলির ক্ষেত্রে নতুন ৭ শর্ত

  • চাকরিতে কমপক্ষে দুই বছর পূর্ণ না হলে বদলির আবেদন করা যাবে না।
  • একবার বদলির পর তিন বছর পূর্ণ হওয়ার আগে পুনরায় বদলির সুযোগ থাকবে না।
  • শুধুমাত্র শূন্য পদের বিপরীতে বদলি করা হবে।
  • শিক্ষকের আবেদন ছাড়া বদলি করা হবে না। তবে জনস্বার্থ বা প্রশাসনিক প্রয়োজন হলে জাতীয় কমিটির অনুমোদনে বদলি করা যাবে।
  • যেসব বিদ্যালয়ে পাঁচজন বা তার কম শিক্ষক রয়েছেন অথবা শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:৪০-এর বেশি, সেসব বিদ্যালয় থেকে বদলি দেওয়া হবে না।
  • একই বিদ্যালয় থেকে একাধিক আবেদন এলে জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
  • একটি বিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ তিনজন শিক্ষক সংযুক্তি হিসেবে পদায়ন করা যাবে। এছাড়া সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নারী শিক্ষকদের স্থায়ী ঠিকানা বা স্বামীর কর্মস্থলের কাছাকাছি বিদ্যালয়ে বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সংশোধিত এ নীতিমালার মাধ্যমে শিক্ষক বদলির প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা, ভারসাম্য এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর