ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যা মামলার অধিকতর তদন্তের জন্য চার সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হকের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটিকে যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত শেষ করে উপাচার্যের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জুন অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ২৭৪তম সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ৪ মার্চের হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন দিক আরও গভীরভাবে পর্যালোচনার জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এ. ইয়াকুব আলীকে। সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার মাছুদুল হক তালুকদার।
এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন সিন্ডিকেট সদস্য ও অতিরিক্ত আইজিপি (পিআরএল) ড. আশরাফুর রহমান এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. মুহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন।
উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ বিকেলে সমাজকল্যাণ বিভাগের কার্যালয়ে কর্মরত অবস্থায় সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা ছুরিকাঘাতে নিহত হন। অভিযোগ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস কর্মচারী ফজলুর রহমান এ হামলা চালান। ঘটনার পর তিনি আত্মহত্যারও চেষ্টা করেন বলে জানা যায়।
পরদিন নিহত শিক্ষকের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান বাদী হয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ফজলুর রহমানকে প্রধান আসামি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলায় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক কর্মচারী ও উম্মুল মুমেনীন আয়শা সিদ্দিকা হলের উপ-রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং হাবিবুর রহমান এখনও পলাতক। আদালত তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।
এসআর