শিক্ষকসংকট কাটিয়ে উঠতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগে প্রভাষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
নিয়োগ কার্যক্রমকে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনে উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হয়ে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এ পরীক্ষা চলে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, প্রভাষক পদে আবেদনকারী ১৯ জনের মধ্যে ১৩ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। মোট ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় চারটি বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন রাখা হয়, প্রতিটির মান ছিল ১২ দশমিক ৫০ নম্বর। লিখিত পরীক্ষায় সফল প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। নিয়োগ বোর্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা পরীক্ষার সার্বিক তদারকি করেন।
পরীক্ষায় অংশ নেওয়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রার্থী এ.বি.এম. আবু রায়হান জানান, প্রশ্নগুলো ছিল তুলনামূলকভাবে ব্যবহারিক জ্ঞাননির্ভর। তাঁর মতে, যাদের বিষয় সম্পর্কে গভীর ধারণা এবং বাস্তবমুখী জ্ঞান রয়েছে, তারা এ পরীক্ষায় ভালো করার সুযোগ পেয়েছেন। নিজের পারফরম্যান্স নিয়েও তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রার্থী তানজিনা আক্তার বলেন, প্রশ্নগুলো মূলত মৌলিক বিষয়ভিত্তিক ছিল। পরীক্ষা খুব কঠিন না হলেও যথেষ্ট চিন্তাভাবনার প্রয়োজন হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন উল্লেখ করে তিনি ফলাফলের অপেক্ষায় থাকার কথা জানান।
নিয়োগ কার্যক্রম প্রসঙ্গে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক ও কর্মকর্তা নিয়োগ নিয়ে অতীতে নানা ধরনের প্রশ্ন ও অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই বর্তমান প্রশাসন স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, যোগ্যতা ও মেধাই হবে প্রার্থী নির্বাচনের একমাত্র মানদণ্ড। কোনো ধরনের তদবির, ব্যক্তিগত প্রভাব বা অনৈতিক হস্তক্ষেপের সুযোগ থাকবে না। নিয়োগ বোর্ডগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়া তিনি নিজেও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
এসআর