[email protected] বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
২ আষাঢ় ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক স্থাপত্য প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ জুন ২০২৬ ২:১৪ এএম

সংগৃহীত ছবি

মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্থাপত্য প্রতিযোগিতায়  উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি দলই পুরস্কার ও বিশেষ স্বীকৃতি লাভ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছে।

মেক্সিকোর জাতীয় স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য অনুষদ এবং খ্যাতনামা লুইস ব্যারাগান কর্মশালার যৌথ উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের ৪২তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীলতা ও নকশাগত দক্ষতার পরিচয় দেন।

প্রতিযোগিতায় ‘এজ অব ইটারনিটি’ প্রকল্পের জন্য মো. হাসিন আলমাস হিমেল, তাসনিম ও শাশ্বতী ঘরামীর দল দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।

অন্যদিকে ‘দ্য লিভিং কিউব’ প্রকল্পের জন্য মোসাদ্দিক চৌধুরী, এইচ. এম. হাদী এবং ইশরাত জাহান সামিয়ার দল প্রথম সম্মাননা পুরস্কার লাভ করে।

এই অর্জনের পেছনে শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও পরিশ্রমের পাশাপাশি শিক্ষকদের দিকনির্দেশনাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

দলগুলোর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এমা ইশরাত ও এস. এম. আহাদুল ইসলাম। এছাড়া স্টুডিও কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করেন স্থপতি শেখ ইতমাম সৌদ, স্থপতি মিনহাল আহমেদ এবং স্থপতি আরিফ মাহতাব কবির।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এটি তাদের ধারাবাহিক সাফল্যেরই অংশ। এর আগে ২০২৪ সালের একই প্রতিযোগিতায়ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা তৃতীয় স্থানসহ একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছিলেন।

এ সাফল্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কাজী জামিল আজহার, ট্রাস্টি সদস্য স্থপতি ইকবাল হাবিব এবং উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বিজয়ী শিক্ষার্থী, উপদেষ্টা ও শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক এই সাফল্য শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল সক্ষমতা এবং মানসম্মত স্থাপত্য শিক্ষার প্রতিফলন।

একই সঙ্গে এটি দেশের উচ্চশিক্ষা ও স্থাপত্য শিক্ষার অগ্রযাত্রাকেও নতুনভাবে তুলে ধরেছে।

এখানে ইংরেজি শিরোনাম ও পদবিগুলোর যথাসম্ভব বাংলা রূপ ব্যবহার করা হয়েছে, তবে প্রকল্পের নাম দুটি আন্তর্জাতিক পরিচিতির কারণে মূল নামেই রাখা হয়েছে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর