[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ফিনল্যান্ডে আন্তর্জাতিক শিক্ষা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দল

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২৬ ৮:২০ পিএম

সংগৃহীত ছবি

উচ্চশিক্ষায় উদ্ভাবনী শিক্ষণ-পদ্ধতি এবং বহুমাত্রিক শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কিতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক কর্মশালায় অংশ নিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রতিনিধি দল।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় পরিচালিত ‘রিশেইপ’ প্রকল্পের আওতায় ১০ থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত চার দিনব্যাপী এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। এতে বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদ, গবেষক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন।

 

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল কর্মশালায় অংশ নিচ্ছে। কর্মসূচিতে আধুনিক শিক্ষণ-পদ্ধতি, শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা, বহুমাত্রিক শিক্ষণ-পরিবেশ এবং মানবকল্যাণ ও পরিবেশবান্ধব শিক্ষার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।

 

কর্মশালার বিভিন্ন অধিবেশনে অংশগ্রহণকারীরা শিক্ষা উন্নয়ন, সুস্থতাভিত্তিক শিক্ষাদর্শন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার নতুন ধারণা নিয়ে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি পর্যায়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলার কৌশল নিয়েও আলোচনা হয়।

 

আন্তর্জাতিক এই আয়োজনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশের অংশীদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ যৌথ গবেষণা ও সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা চলছে।

 

আয়োজকদের মতে, ‘রিশেইপ’ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো উচ্চশিক্ষায় নতুন শিক্ষণ-ধারণার বিকাশ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

 

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলে লোক প্রশাসন বিভাগের পাঁচজন শিক্ষক রয়েছেন। তারা হলেন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. এম. ফখরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জুলফিকার হোসেন এবং অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান।

 

সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের আন্তর্জাতিক কর্মশালা গবেষণা, জ্ঞান বিনিময় এবং বৈশ্বিক শিক্ষা নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগও বৃদ্ধি পাবে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর