ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গুচ্ছভুক্ত ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে
সংগঠনটির অভিযোগ, সাবজেক্ট চয়েসের ফল প্রকাশে অস্বাভাবিক দেরি এবং ভর্তি প্রক্রিয়ায় সমন্বয়হীনতার কারণে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।
বৃহস্পতিবার সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পংকজ রায়ের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সাবজেক্ট চয়েসের ফলাফল প্রকাশ না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। একই সঙ্গে ভর্তি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ফলাফল প্রকাশে বিলম্বের কারণে প্রাথমিক ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। এতে চূড়ান্ত ভর্তি, মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য প্রশাসনিক ধাপগুলোও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। পাশাপাশি আর্থিক ব্যয় ও যাতায়াতসংক্রান্ত নানা জটিলতায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বাড়ছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংগঠনটি কয়েকটি দাবি তুলে ধরেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সাবজেক্ট চয়েসের ফলাফল প্রকাশ করতে হবে এবং ভর্তি কার্যক্রমের প্রতিটি ধাপে পর্যাপ্ত সময় নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া পুরো প্রক্রিয়াটি নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলকভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। ভর্তি কার্যক্রমে সৃষ্ট জটিলতার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে বলেও তারা মন্তব্য করেছে।
উল্লেখ্য, চলতি শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
গত ১৩ মে সাবজেক্ট চয়েসের সময়সীমা শেষ হলেও এখনো ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে আগামী ৮ জুন থেকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম শুরুর কথা থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
এসআর