টানা তিনবার দাম বাড়ানোর পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দর কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন দাম ঘোষণা করে বাজুস। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, একই দিন সকাল ১০টা থেকে সংশোধিত দর কার্যকর হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য তালিকায় ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা।
২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।
বাজুসের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দর কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা ও ধরন অনুযায়ী মজুরি আলাদাভাবে প্রযোজ্য হবে।
সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে অতিরিক্ত বা আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
এছাড়া নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও কেনাবেচার ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্বের নিয়মই বহাল থাকবে।
এর আগে সর্বশেষ ১৩ আগস্ট স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। ওই দিন ভরিতে ১ হাজার ১৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
একই সময়ে ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৪ হাজার ২৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা। ওই দরও সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়।
বাজুসের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর এ পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ১০৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে।
এর মধ্যে ৫১ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, সমান সংখ্যকবার কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাটের কারণে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার পরিবর্তন করেছিল বাজুস। ওই বছর ৬৪ দফা দাম বাড়লেও কমানো হয়েছিল ২৯ দফা।
এসআর