[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বঙ্গোপসাগরে ট্রলার বিকল হয়ে ৪ দিন ভেসে থাকার পর ১৮ জেলে উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:৪৯ এএম

সংগৃহীত ছবি

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচর সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ট্রলারের পাখা ভেঙে চার

 দিন ধরে আটকে পড়া ১৮ জন জেলেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে স্বজন ও আড়তদারের পাঠানো একটি উদ্ধারকারী ট্রলার তাদের উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসে।

​উদ্ধার পাওয়া জেলেরা ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। তারা স্থানীয় 'হানিফ মাঝি'র মালিকানাধীন একটি মাছ ধরার ট্রলারে করে সাগরে গিয়েছিলেন।

​ট্রলার মালিক হানিফ মাঝির ভাই ফিরোজ রাঢ়ী জানান, বৃহস্পতিবার সকালে সোনারচর সংলগ্ন এলাকা থেকে তার ভাইসহ ১৮ জন মাঝিমাল্লাকে সুস্থ ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাদের চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের পাচকপাট স্লুইস গেট ঘাটের দিকে নিয়ে আসা হচ্ছে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সাগরে মাছ ধরতে নামেন ওই ১৮ জেলে। পরদিন রবিবার ট্রলারের পাখা ভেঙে গেলে বাহনটি বিকল হয়ে পড়ে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রলারটি সোনারচর ও রূপারচরের মাঝামাঝি স্থানে নোঙর করে রাখা হয়। সাগরে চার দিন আটকে रहनेর পর মঙ্গলবার মোবাইলে নেটওয়ার্ক পান হানিফ মাঝি। এরপরই তিনি এলাকার মৎস্য আড়তদার ফরহাদ হোসেন পাটোয়ারীকে নিজের চরম বিপদের কথা জানান। পরবর্তীতে আড়তদার বিষয়টি নিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে দ্রুত সহায়তার অনুরোধ জানান।

​তবে সাগরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি থাকায় এবং সমুদ্র প্রচণ্ড উত্তাল থাকায় কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ বুধবার পর্যন্ত কোনো উদ্ধার অভিযান চালাতে সক্ষম হয়নি। পরিস্থিতি না বদলানোয় শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার সকালে আড়তদারের নিজস্ব উদ্যোগেই আরেকটি ট্রলার পাঠিয়ে জেলেদের উদ্ধার করা হয়।

​কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের উদ্ধার কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে হাজারীগঞ্জের জোবায়ের এন্টারপ্রাইজের মৎস্য আড়তদার ফরহাদ হোসেন পাটোয়ারী বলেন, জরুরি বিপদের সময় শেষ পর্যন্ত তাদের নিজেদের ট্রলার পাঠিয়েই স্বজন ও জেলেদের রক্ষা করতে হয়েছে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর