[email protected] শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
১৪ ভাদ্র ১৪৩৩

বীরগঞ্জে দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা, গ্রেপ্তার ১

দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৮ আগষ্ট ২০২৬ ৬:০১ পিএম

সংগৃহীত ছবি

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পৌর শহরের স্লুইচ গেট সড়কের মিয়া মার্কেটে দোকান ভাঙচুর, মারধর, চুরি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

মামলায় এজাহারভুক্ত ১৪ জনের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মামলার প্রধান আসামি হিসেবে বীরগঞ্জ পৌর শহরের মাকরাই এলাকার কামিল উদ্দিনের ছেলে পিয়াল আহম্মেদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মোতলেবুর রহমান ফারুক মিয়া বাদী হয়ে ২৬ আগস্ট বীরগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন। মামলার নম্বর ২৪।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, গত ২১ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পিয়াল আহম্মেদের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি মিয়া মার্কেটের সামনে রবিউল ইসলাম নামে এক যুবককে মারধর করছিলেন।

এ সময় মার্কেটের পাশে থাকা বাদীর স্ত্রী ও তার ভাই জুয়েল মিয়া বিষয়টি থামাতে এগিয়ে গেলে তাদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা জুয়েল মিয়াকে মারধর করে গুরুতর আহত করেন এবং মার্কেটের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।

এ সময় কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর চালানো এবং মালামাল, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

মামলায় চুরি ও ছিনতাইসহ মোট ৪ লাখ ৩৪ হাজার ১০০ টাকার ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করেছেন বাদী।

ঘটনার পর আহত জুয়েল মিয়াকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তিনি বর্তমানে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।

মামলা করতে কয়েক দিন দেরির কারণ হিসেবে বাদী জানিয়েছেন, আহত ছোট ভাইয়ের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে থানায় অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে মামলার প্রধান আসামি পিয়াল আহম্মেদসহ অন্য আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে আসামিদের কয়েকজনের অভিভাবকের দাবি, মামলায় যাদের নাম রয়েছে তাদের অধিকাংশই কলেজপড়ুয়া এবং ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত।

বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, ২৬ আগস্ট বাদীর লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আতাউর রহমান জানান, ২৭ আগস্ট রাতে বীরগঞ্জ পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তিবাগ (দাসপাড়া) এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নজিবুল ইসলাম বাপ্পিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি ওই এলাকার আকরাম হোসেনের ছেলে। পরে ২৮ আগস্ট তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর