সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়নের কাছিহারানিয়া গ্রামে উপকূলীয়
অঞ্চলের সংকট চিহ্নিতকরণ ও সমাধানে করণীয় শীর্ষক এক অভিযোজন পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রস্তাবিত এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারের তত্ত্বাবধায়ক রিতা রানী মিস্ত্রির সভাপতিত্বে সূচনা বক্তব্য দেন আটুলিয়া আব্দুল কাদের স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক কিশোর কুমার মৃধা। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাহিদা পারভীন, শতবাড়ির সদস্য যমুনা রানীসহ স্থানীয় শিক্ষক ও সমাজসেবকরা।
কর্মশালায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের দৈনন্দিন ও কৃষিখাতের নানা সংকট তুলে ধরেন। উঠে আসে সেচ, ব্যবহার্য ও সুপেয় পানির তীব্র সংকট, বীজের অভাব, ক্ষতিকারক পোকামাকড়ের উপদ্রব, রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব এবং কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্যের অভাবের কথা। এছাড়া জৈব পদ্ধতিতে চাষাবাদের প্রশিক্ষণ না থাকায় কৃষি খাত ঝুঁকিতে পড়ার পাশাপাশি অবকাঠামোগত, সামাজিক ও স্বাস্থ্যগত নানা সমস্যার চিত্র উঠে আসে।
আলোচনায় বক্তারা উল্লেখ করেন যে, সব ধরনের সংকট মেটাতে সম্মিলিত প্রয়াস এবং স্থানীয় জ্ঞানের সঠিক ব্যবহার জরুরি। বারসিকের কর্মকর্তা জানান, তারা জননেতৃত্বে উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে স্থানীয়দের মতামতের ভিত্তিতে পরিকল্পনা তৈরি করেন। অংশগ্রহণকারীরা জানান, উপযুক্ত অভিযোজন কৌশল জানা থাকলে প্রতিকূল পরিবেশেও পারিবারিক কৃষি এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। এছাড়া জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বৃক্ষনিধন রোধ এবং রাসায়নিকমুক্ত চাষাবাদে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এসআর