১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত নীলফামারী সরকারি কলেজে বর্তমানে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থী (১৫
হাজার নিয়মিত ও ৩ হাজার প্রাইভেট) অধ্যয়নরত থাকলেও অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার চরম ঘাটতি রয়েছে। ২৩.১৫ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই কলেজে ১৪টি বিষয়ে অনার্স এবং ১২টি বিষয়ে মাস্টার্স চালু আছে, তবে প্রাণিবিদ্যা ও পদার্থবিজ্ঞানে মাস্টার্স না থাকায় শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন।
কলেজটিতে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষসহ মোট ৮৩টি অনুমোদিত শিক্ষক পদের বিপরীতে বর্তমানে ৬৬ জন কর্মরত আছেন এবং ২৩টি পদ শূন্য রয়েছে (সংযুক্ত ৬ জন)। এর মধ্যে ইংরেজিতে ৪টি, অর্থনীতি, ব্যবস্থাপনা ও উদ্ভিদবিজ্ঞানে ৩টি করে, এবং বাংলা, হিসাববিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানে ২টি করে পদ খালি রয়েছে। শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে সময়সূচি পরিবর্তন করে পাঠদান চালাতে হচ্ছে।
ছাত্রাবাস ও ছাত্রীনিবাসের অবস্থা অত্যন্ত জরাজীর্ণ এবং আসনসংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীকে বাধ্য হয়ে বাইরের মেসে বাড়তি খরচে ও নিরাপত্তাহীনতায় থাকতে হচ্ছে। এছাড়া দূর-দূরান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবহন বা বাসের কোনো ব্যবস্থা নেই। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে কলেজ ছাত্র সংসদ চালু, নতুন একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাস নির্মাণ এবং প্রাণিবিদ্যা ও পদার্থবিজ্ঞানে মাস্টার্স চালু করার দাবি জানানো হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন যে এসব সংকট ও সমস্যার কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
এসআর