[email protected] রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
২৮ আষাঢ় ১৪৩৩

ভারী বর্ষণে পাবনা পৌরশহরে তীব্র জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে বাসিন্দারা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ জুলাই ২০২৬ ৫:৪৬ পিএম

সংগৃহীত ছবি

গত ৪ জুলাই থেকে ১২ জুলাই (রোববার) পর্যন্ত পাবনায় ১৬৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে

 ঈশ্বরদী আবহাওয়া অধিদপ্তর। টানা কয়েক দিনের এই ভারী বর্ষণে পাবনা পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অপর্যাপ্ত ও অকার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে শহরের সড়ক, দোকানপাট ও বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

শহরের ১৫টি ওয়ার্ডে ২৪০ কিলোমিটার পাকা রাস্তার অধিকাংশই দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় খানা-খন্দে রূপ নিয়েছে, যা পানির নিচে তলিয়ে থাকায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা এবং ব্যাহত হচ্ছে যানবাহন চলাচল। রোববার সরজমিনে শহরের শিবরামপুর, মহিষের ডিপো, আতাইকুলা সড়ক, রাধানগর, মক্তব মোড়, যুগীপাড়া, কালাচাঁদপাড়া, শালগাড়িয়া, আটুয়া মোড়, গোপালপুর, দিলালপুর, দোহার পাড়া, কুঠিপাড়া ও মনসুরাবাদ আবাসিক এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে এই চরম ভোগান্তির চিত্র দেখা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইমরান নাজির, ব্যবসায়ী রাসেল হোসেন, ফার্নিচার কর্মী আরিফ ও অটোরিকশাচালক সোহেল মিয়াসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা ও বাড়িঘরে পানি উঠে যায়, খানাখন্দ দেখা না যাওয়ায় পানির মধ্যে সাইকেল বা গাড়ি নিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটছে এবং ব্যবসায়িক কাজকর্ম স্থবির হয়ে পড়েছে।

​পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ থাকলেও পাবনা পৌর প্রশাসক খাইরুল ইসলাম জানান, তারা জলাবদ্ধ এলাকাগুলো সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছেন। কিছু ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার ও নতুন ড্রেন নির্মাণ করা হলে দ্রুতই এর স্থায়ী সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে, পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার জানান, বর্তমানে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ইছামতি নদী ও সংযোগ খাল খনন প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এই খনন কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হলে পাবনা জেলায় আর কোনো জলাবদ্ধতা থাকবে না।

এসআর

সম্পর্কিত খবর