চারদিকে যখন গভীর রাতের নীরবতা, তখনই চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মাছের আড়তগুলোতে শুরু হয় ব্যস্ততার নতুন অধ্যায়।
রাত ৩টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত চলে টাটকা মাছের নিলাম ও ব্যাপক বেচাকেনা।
এ সময় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পাইকারদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আড়ত এলাকা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কচুয়ায় মোট ১১টি মাছের আড়ত রয়েছে। প্রতিদিন ভোরের আগে এসব আড়তে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ওঠে।
নিলাম পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে মাছ বিক্রি করা হয়। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই লাখ লাখ টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়।
একজন আড়ৎদার জানান, প্রতিদিন গভীর রাত থেকেই তাদের কর্মব্যস্ততা শুরু হয়।
১১টি আড়তে নিয়মিত বিপুল পরিমাণ মাছ কেনাবেচা হয় এবং প্রতিদিনই লাখ টাকার বেশি লেনদেন হয়ে থাকে। রাত ৩টা বাজতেই পুরো আড়ত প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে ওঠে।
দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকাররাও কচুয়ার মাছের মান ও দামের প্রশংসা করেন।
এক পাইকার বলেন, এখানকার মাছ টাটকা হওয়ায় এবং তুলনামূলক ভালো দামে পাওয়া যাওয়ায় তারা নিয়মিত কচুয়ার আড়তে আসেন। ভোর হওয়ার আগেই মাছ কিনে নিজ নিজ এলাকার বাজারের উদ্দেশে রওনা দেন।
ভোর ৫টার মধ্যে নিলাম কার্যক্রম শেষ হয়। এরপর এসব মাছ জেলার বিভিন্ন বাজারসহ দেশের নানা অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়।
স্থানীয়দের মতে, কচুয়ার মাছের আড়ত শুধু একটি বেচাকেনার কেন্দ্র নয়; এটি হাজারো জেলে, শ্রমিক, আড়ৎদার ও ব্যবসায়ীর জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন।
প্রতিদিনের এই ভোরের বাণিজ্য স্থানীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এসআর