লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা শাহিনুর বেগম ও তার তিন মেয়ে সায়মা আক্তার, নাফিসা আক্তার ইকরা এবং ফাতেমা আক্তার শিফাকে এলোপাতাড়ি
কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় জনতার গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত ঘাতক অন্তর মজুমদারের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের অনীহা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত দূর সম্পর্কের এক চাচাতো ভাই টিটু মজুমদারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াকুব নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায় যে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর থানাধীন চরভাটা এলাকার চরবজলুল করিম গ্রামের কার্তিক মজুমদারের ছেলে অন্তরের মরদেহ নিতে তার পরিবার কোনোভাবেই রাজি না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে দূর সম্পর্কের ওই ভাইকে আনা হয় এবং ১০০ শয্যাবিশিষ্ট লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অরুপ পাল মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে তা পুলিশের কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার পর বিকেলে তা হস্তান্তর করা হয়।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া জানিয়েছেন যে বৃহস্পতিবার সকালে রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা নদীর পাড় এলাকার আমির হোসেন মাস্টারের পাঁচতলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে ঢুকে এই চারজনকে হত্যার ঘটনার পরপরই গণপিটুনিতে অন্তর মজুমদারের মৃত্যুর ঘটনায় রায়পুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এসআর