ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সাভার-আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে বিভিন্ন কারখানায় ছুটি শুরু হওয়ায় ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করেছে।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরের পর থেকেই শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। এতে সড়ক ও বাসস্ট্যান্ডগুলোতে যাত্রীদের উপস্থিতি বেড়ে যায়।
শিল্পাঞ্চল পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাই এলাকায় পোশাক কারখানাসহ মোট ১ হাজার ৭০৫টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সোমবার প্রায় ৩১ শতাংশ কারখানায় ঈদের ছুটি কার্যকর হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে যাত্রীচাপ বাড়তে পারে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।
বিকেল পর্যন্ত ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও নবীনগর-চন্দ্রা সড়কে বড় ধরনের যানজট না থাকলেও কয়েকটি এলাকায় যানবাহন ধীরগতিতে চলতে দেখা যায়। বিশেষ করে নবীনগর, বাইপাইল ও আশপাশের বাসস্ট্যান্ডগুলোতে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ লক্ষ্য করা গেছে।
এদিকে যাত্রীদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে কিছু পরিবহন স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ভাড়া আদায় করছে। কেউ কেউ নির্ধারিত সময়ে বাস না পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন। এতে পরিবার নিয়ে ভ্রমণকারীদের দুর্ভোগ বাড়ছে বলে অভিযোগ ওঠে।
পটুয়াখালীগামী এক যাত্রী জানান, অগ্রিম টিকিট কাটার পরও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে এবং ভাড়াও তুলনামূলক বেশি নেওয়া হয়েছে। রাজবাড়ীগামী আরেক যাত্রী বলেন, অনেক পরিবহন দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করছে, যা নিয়ন্ত্রণে তদারকি প্রয়োজন।
গার্মেন্টসকর্মী সুমি বলেন, বছরে ঈদের সময় একবার বাড়ি যাওয়ার সুযোগ হয়, কিন্তু প্রায় প্রতি বছরই অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়। একই ধরনের অভিযোগ করেন কলেজশিক্ষার্থী চৈত্র। তিনি জানান, পাংশা যাওয়ার জন্য স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকশ টাকা বেশি ভাড়া দিতে হয়েছে।
সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান মিয়া বলেন, নবীনগর বাসস্ট্যান্ড ও বাইপাইল এলাকায় যানবাহনের চাপ থাকায় কিছুটা ধীরগতি তৈরি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোথাও দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়নি।
এসআর