২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মো. সামিত নামে ৭ বছর
বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর জেলায় হাম উপসর্গে এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে নতুন করে আরও ১৯ জন হাম আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে।
রোববার (২৪ মে) ভোর সোয়া ৪টার দিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই শিশুটি মারা যায়। মৃত সামিত জেলার সুবর্ণচর উপজেলার কাটাখালি গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকরা জানান, শনিবার দুপুরে হামের তীব্র উপসর্গ নিয়ে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছিল সামিত। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোরে তার মৃত্যু হয়। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী শিশু মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত জেলায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯১৫টি শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। এর আগে চিকিৎসাধীন কোনো শিশুর মৃত্যু না হলেও বেশ কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছিল।
বর্তমানে হাসপাতালটির আইসোলেশন ওয়ার্ডে ১২০ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০ জন নতুন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। তবে রোগীর চাপ বাড়লেও হাসপাতালে তীব্র শয্যা (বেড) ও প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে অভিভাবকদের বেশিরভাগ ওষুধ হাসপাতালের বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। এছাড়া পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফ না থাকায় সাধারণ চিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এসআর