নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আজ শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল।
আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি পুরো টুর্নামেন্টেই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন। গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করেও তিনি দলের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছেন। ফলে তাঁকে আটকে রাখাই হবে স্পেনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
স্পেনের রক্ষণভাগে অভিজ্ঞ আইমেরিক লাপোর্তে দায়িত্ব পালন করবেন মেসিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার। তরুণ পাউ কুবারসির সঙ্গে তাঁর বোঝাপড়া স্পেনের ডিফেন্সকে শক্তিশালী করেছে। তাই ফাইনালে এই দ্বৈরথ ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে।
মাঝমাঠের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবেন স্পেন অধিনায়ক রদ্রি ও আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ। বলের নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলার গতি নির্ধারণে রদ্রি স্পেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের একজন।
অন্যদিকে এনজো ফার্নান্দেজও আর্জেন্টিনার মাঝমাঠের প্রাণভোমরা। প্রতিপক্ষের আক্রমণ ভাঙা, বল পুনরুদ্ধার এবং প্রয়োজনের মুহূর্তে আক্রমণে অবদান রেখে তিনি দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন। তাই এই দুই মিডফিল্ডারের পারফরম্যান্স ফাইনালের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
স্পেনের তরুণ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল ইতোমধ্যে নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়েছেন।
গতি, ড্রিবলিং ও আক্রমণ তৈরির দক্ষতায় তিনি প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি।
তাকে ঠেকানোর দায়িত্ব থাকবে আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞ লেফট-ব্যাক নিকোলাস তাগলিয়াফিকোর ওপর।
অভিজ্ঞতায় এগিয়ে থাকলেও ইয়ামালের গতি ও ক্ষিপ্রতার বিপক্ষে তাঁকে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হতে পারে।
বিশ্বকাপ ফাইনাল সাধারণত দলগত লড়াই হলেও অনেক সময় নির্দিষ্ট কয়েকজন ফুটবলারের পারফরম্যান্সই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।
তাই মেসি-লাপোর্তে, রদ্রি-এনজো এবং ইয়ামাল-তাগলিয়াফিকোর দ্বৈরথগুলো শিরোপা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত কোন দল নিজেদের পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়ন করে বিশ্বকাপ ট্রফি নিজেদের করে নেয়।
এসআর