আরবি ‘আল-বিতরু’ শব্দ থেকে আগত বিতর শব্দের শাব্দিক অর্থ বেজোড় এবং হানাফি মাজহাব অনুযায়ী আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসের ভিত্তিতে এই নামাজ তিন রাকাত। বিতর আদায়ের নিয়ম খুবই সহজ; প্রথম দুই রাকাত পড়ে বৈঠকে বসে শুধু তাশাহহুদ পড়ে
সালাম না ফিরিয়ে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াতে হবে। এরপর সুরা ফাতিহার সাথে অন্য সুরা মিলিয়ে তাকবির বলে দুহাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে আবার হাত বাঁধতে হবে এবং নিঃশব্দে দোয়া কুনুত পড়তে হবে।
দোয়া কুনুত শেষে স্বাভাবিক নিয়মে রুকু-সিজদা ও শেষ বৈঠক করে সালাম ফিরিয়ে নামাজ সম্পন্ন করতে হয়। আলেমদের মতামত অনুযায়ী, দোয়া কুনুতের আগে হাত উঠিয়ে তাকবীর বলা ওয়াজিব নয় বরং সুন্নত, তাই কখনো ভুলবশত এটি ছুটে গেলে নামাজ নষ্ট হবে না এবং সাহু সিজদাও দিতে হবে না, তবে ইচ্ছাকৃতভাবে এটি ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। বিতর নামাজে পঠিত দোয়া কুনুতের মূল বক্তব্য হলো আল্লাহর কাছে সাহায্য ও ক্ষমা প্রার্থনা করা, তাঁর ওপর ভরসা রাখা, তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা এবং তাঁর ইবাদতের মাধ্যমে রহমতের আশা ও আজাবের ভয় করা।
এসআর