[email protected] শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
৪ বৈশাখ ১৪৩৩

জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে সরকারের ব্যাপক পদক্ষেপ

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ১২:২৩ পিএম

সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক, দক্ষ এবং সময়োপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে

 প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য আলফারুক আব্দুল লতীফের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন পরিচালিত হয়।

​প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি শক্তিশালী প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল এবং আধুনিক প্রতিরক্ষানীতি প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, নৌবাহিনীর মাধ্যমে সমুদ্রসম্পদ ও ব্লু ইকোনমি সুরক্ষা এবং বিমান বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ও দ্রুত মোতায়েন সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চলছে। এছাড়া ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

 

​প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ: প্রচলিত অস্ত্রের পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা, ড্রোন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং তথ্যযুদ্ধের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

​সক্ষমতা বৃদ্ধি: বিমান বাহিনীতে ৪.৫ প্রজন্মের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সংযোজন এবং নৌবাহিনীতে আধুনিক রণতরি ও সাবমেরিন যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

​সশস্ত্র বাহিনীর কল্যাণ: পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অবসরোত্তর মর্যাদা নিশ্চিত করতে ‘এক পদ, এক পেনশন’ নীতি বাস্তবায়নের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

​আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যৌথ মহড়া, প্রতিরক্ষা সংলাপ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতায় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

​প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীকে রাজনৈতিক বিতর্কের ঊর্ধ্বে রেখে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ও সমন্বিত শক্তিতে রূপান্তর করতে সরকার বদ্ধপরিকর। এই আধুনিকায়ন প্রক্রিয়া জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি দৃঢ় ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর