সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদকে নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এসব কথা বলেন।
পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বে থাকার সময় আসিফ মাহমুদ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যবসায়ী ও ডামি এমপিকে সহযোগিতা বা সুরক্ষা দিয়েছেন।
এমনকি আওয়ামী লীগের একজন পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীকে পুনর্বাসনে ভূমিকা রাখার অভিযোগও করেন তিনি।
রাশেদ খাঁনের দাবি, বিষয়গুলো নিয়ে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আসিফ মাহমুদকে কয়েক দফা সতর্ক করেছিলেন। তবে এতে কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে তার অভিযোগ।
তিনি আরও দাবি করেন, এসব বিষয় এনসিপির নেতারাও জানতেন এবং তখন দলের কয়েকজন নেতা আসিফ মাহমুদের সঙ্গে এনসিপির আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই বলেও মন্তব্য করেছিলেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, আসিফ মাহমুদ একজন ব্যক্তিকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছিলেন বলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে জানেন।
পাশাপাশি আসিফ মাহমুদের তৎকালীন এপিএস মোয়াজ্জেমকে ঘিরেও তার কাছে বিভিন্ন তথ্য এসেছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এসব তথ্য সে সময় অন্তর্বর্তী সরকারের আরেকজন উপদেষ্টাকে জানিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন রাশেদ খাঁন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওই উপদেষ্টা বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন এবং সরকারি বেতনের সঙ্গে এমন আর্থিক লেনদেনের সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।
এনসিপির শীর্ষ নেতারা কেন আসিফ মাহমুদের পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিচ্ছেন না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী।
তার দাবি, দলের সিনিয়র নেতারা এসব অভিযোগ ও তথ্য সম্পর্কে অবগত থাকায় তারা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে জোরালো অবস্থান নিচ্ছেন না।
তবে রাশেদ খাঁনের উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে আসিফ মাহমুদ বা এনসিপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এসআর