বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম নিজেরা সরাসরি তদবির বা দুর্নীতিতে জড়িত না থাকলেও তাদের ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
পোস্টে রাশেদ খান বলেন, ২০২৫ সালের ৯ এপ্রিল হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম দুদকে যে 'অতিগোপনীয়' অভিযোগ জমা দেওয়ার কথা বলেছিলেন, সেটি নিয়ে জনমনে এখনো প্রশ্ন রয়েছে।
তার দাবি, ওই সফরের প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে আলোচনা ও সমঝোতার চেষ্টা।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগের তালিকা প্রণয়নের সময় গাজী সালাউদ্দীন তানভীর সমন্বয়কের পরিচয়ে সচিবালয়ে সক্রিয় ছিলেন এবং এ কাজে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের সমর্থন ছিল।
একই ব্যক্তি পরে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-তেও দায়িত্ব পান বলেও দাবি করেন তিনি।
রাশেদ খানের ভাষ্য, গাজী সালাউদ্দীন তানভীরের বিরুদ্ধে নানা বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও তাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও পরে একটি রাজনৈতিক দলে যুগ্ম সদস্য সচিবের পদ দেওয়া হয়।
এর পেছনে কারা ভূমিকা রেখেছেন, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
দুদকের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি নেতা দাবি করেন, তানভীরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে দায়মুক্তির যে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল, সেটিও পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।
একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের বিভিন্ন নিয়োগ ও দুর্নীতির অভিযোগ নতুন করে তদন্তের আহ্বান জানান তিনি।
তবে রাশেদ খানের উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্যদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এসআর