বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক কেন্দ্রীয় নেতাকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান।
শনিবার (১৩ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানের বিরুদ্ধে এক নারীর করা অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন এবং পরবর্তীতে গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ সামনে আসার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মগোপনে চলে যান।
রাশেদের অভিযোগ, আত্মগোপনের পর ঘটনাটিকে অপহরণ বা গুম হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।
একই সঙ্গে সরকারকে দায়ী করে প্রতিবাদ কর্মসূচিও পালন করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিএনপির এই নেতা বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অপহৃত দাবি করে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে তার ধারণা।
গুমকে একটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে গুমের অভিযোগ ব্যবহার করাও সমানভাবে উদ্বেগজনক।
এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের বর্তমান রাজনৈতিক আচরণ অতীতের কিছু বিতর্কিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
তার মতে, বিভিন্ন ঘটনায় নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সংগঠনটি বারবার ‘ভুক্তভোগী’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে।
পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান বলেন, যে কোনো রাজনৈতিক শক্তি যদি জনগণের অধিকার ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী আচরণ করে, তাহলে জনগণ তাদের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেবে।
এসআর