বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার যেকোনো পরিস্থিতিতে রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই একটি মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং মানুষের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্র করে আসছে। ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধেও তাদের তৎপরতা ছিল। জনগণ অতীতে তাদের সেই অপচেষ্টা প্রতিহত করেছে। তবে আবারও ওই মহল ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে।
তারেক রহমান বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সবাইকে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ নিতে হবে। যেকোনো মূল্যে এসব অধিকার রক্ষা করাই হোক দিবসটির অঙ্গীকার।
তিনি আরও বলেন, যত দিন বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকবে, তত দিন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শোভাযাত্রার ধারাবাহিকতাও বজায় থাকবে।
দিবসটি উপলক্ষে শনিবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়াও বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নেন।
শোভাযাত্রাটি কাকরাইল, হেয়ার রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট ও বিজয় সরণি হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে পৌঁছায়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সেখানে একটি ট্রাকের ওপর দাঁড়িয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা।
এফ/ডি