পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. এস এম কামরুল হাসান লিসবনের বেলেম প্রাসাদে
অনুষ্ঠিত এক আনুষ্ঠানিকতায় পর্তুগিজ রাষ্ট্রপতির কাছে তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের পর তিনি রাষ্ট্রপতির সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন।
লিসবনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও সরকারপ্রধানের পক্ষ থেকে পর্তুগালের রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ঢাকায় পর্তুগালের একটি পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক মিশন খোলার গুরুত্ব তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত কামরুল হাসান। তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকায় পর্তুগিজ মিশন স্থাপিত হলে দুই দেশের প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং সহযোগিতার নতুন পথ উন্মোচিত হবে।
এছাড়া, রাষ্ট্রদূত বৈধ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন প্রক্রিয়া উৎসাহিত করা, দ্বিপাক্ষিক গতিশীলতা সংক্রান্ত কাঠামোর কার্যকর বাস্তবায়ন এবং দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার ওপর জোর দেন। একই সাথে, উভয় দেশের জনগণের মধ্যে সরাসরি সংযোগ বাড়াতে বাংলাদেশ ও পর্তুগালের মধ্যে সরাসরি আকাশপথে যোগাযোগ চালু করার প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।
বৈঠকে পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি দেশটির অর্থনীতি ও সমাজে প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের ইতিবাচক অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং পর্তুগিজ সমাজে তাদের সুসংহত অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন।
আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সামুদ্রিক খাত, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্য-প্রযুক্তি এবং পারস্পরিক সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা গভীর করার সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ দূতাবাস দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এবং তা উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে বাস্তবায়নে কাজ করে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এসআর