গাজীপুরের টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় লাগা আগুন প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিসসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।
ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক জানান, কারখানার সাততলা ভবনের দ্বিতীয় ও চতুর্থ তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ইনজেকশনসহ বিভিন্ন জরুরি ওষুধ থাকায় আগুন নেভানোর কাজে বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়।
আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিট কাজ করে। তাদের সঙ্গে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কর্মীরাও সহযোগিতা করেন।
আগুন পুরোপুরি নেভাতে আরও সময় লাগতে পারে বলেও জানান তিনি।
এ ঘটনায় বড় ধরনের কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে আগুন নেভানোর কাজে নিয়োজিত ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মী শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানান মহাপরিচালক।
টঙ্গী শিল্পাঞ্চলের স্কুইব রোডে অবস্থিত ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের ইউনিট-২-এর সাততলা ভবনে বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
প্রথমে কারখানার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
আগুনের কারণে ঘটনাস্থলের আশপাশে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় যান চলাচল ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
কারখানাটির ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বাদল জানান, প্রথমে নিজেদের ব্যবস্থাপনায় আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে আগুনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সহায়তা নিতে হয়।
এসআর