দীর্ঘদিনের শাসন-শোষণে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশকে পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সরকার ‘থ্রি-আর’ কৌশল গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলায় দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ প্রায় দেড় দশকের শাসন-শোষণের অবসানের পর ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হয়েছে। ওই সময়ে গুম, খুন, অপহরণ, দুর্নীতি, লুটপাট ও অর্থ পাচারের মতো কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বর্তমানে এসব অভিশাপ থেকে বের হয়ে বাংলাদেশ আবারও গণতান্ত্রিক পথে অগ্রসর হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সামনে এখন সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলেছে। দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুফল কাজে লাগিয়ে বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং বাংলাদেশকে একটি ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ।
তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক ও উদ্ভাবকদের জন্য স্টার্টআপ কার্যক্রমের সুযোগ সম্প্রসারণের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি জানান, চলতি অর্থবছরে এ খাতে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এসআর