রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ ও প্রধান চালিকাশক্তি। রাষ্ট্রের
কাছে নতুন প্রজন্মের চাওয়া হচ্ছে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক ভাগ্যোন্নয়নের নিশ্চিত সুযোগ। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশই তরুণ প্রজন্ম। এই বিপুল জনসংখ্যাকে সঠিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনসম্পদে রূপান্তর করা গেলে নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা পূরণের পাশাপাশি একটি সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্ন নিশ্চিত হবে। এই প্রেক্ষাপটে এবারের প্রতিপাদ্য—‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও যথার্থ হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার দেশের যুবসমাজকে সুশিক্ষিত, দক্ষ, স্বাবলম্বী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এজন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মাদক, বাল্যবিবাহ ও সহিংসতা রোধে সামাজিক সচেতনতা ও আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সবশেষে রাষ্ট্রপতি জোর দিয়ে বলেন, নাগরিক সুস্বাস্থ্য ও পরিকল্পিত পরিবারই একটি কর্মক্ষম জাতি এবং টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত। তরুণ প্রজন্মকে প্রকৃত মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে স্বাস্থ্যসেবা, মা-শিশু স্বাস্থ্য, প্রজনন ও বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে হবে। তারুণ্যের এই উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।
এসআর