বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য নতুন একটি পরিচয়ভিত্তিক সেবা চালুর ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
প্রবাসী কার্ড’ নামে এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রবাসীরা বিভিন্ন সরকারি ও আর্থিক সেবা সহজে গ্রহণ করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ ঘোষণা দেন।
বাজেট বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
প্রস্তাবিত ‘প্রবাসী কার্ড’-এর মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ সেবা, বীমা সুবিধা, ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং জরুরি সহায়তা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার নতুন নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান করছে।
এ লক্ষ্যে রাশিয়া, পর্তুগাল, রোমানিয়া, ব্রাজিল, গ্রিস, সার্বিয়া ও নর্থ মেসিডোনিয়ার সঙ্গে শ্রমবিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পাদনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় বন্ধ বা সীমিত থাকা মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের শ্রমবাজার পুনরায় সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী প্রবাসী আয় বৃদ্ধির বিষয়টিও তুলে ধরেন।
তিনি জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০২৬ সালের মার্চ মাসে দেশে প্রায় ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা একক মাসে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তার মতে, এই রেমিট্যান্স প্রবাহ বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের আস্থা ও দেশের অর্থনীতির প্রতি তাদের অবদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন।
সরকার আশা করছে, ভবিষ্যতেও প্রবাসী আয়ের এ ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে।
এসআর