জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবসে প্রয়াত সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে।
এ সময় আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ জন সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।
রোববার (৭ জুন) বিকেলে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ প্রয়াত ব্যক্তিদের নাম পাঠ করেন। পরে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
শোক প্রস্তাবে যাদের স্মরণ করা হয় তাদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. কায়সার, বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক এম. এ. মান্নান, সাবেক সংসদ সদস্য জি এম ফজলুল হক, এ বি এম আনোয়ারুল হক, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সামসুদ্দোহা, আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক, দেওয়ান শামসুল আবেদীন, গোলাম সারোয়ার মিলন, মোসলেম উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, মিজানুর রহমান সিনহা, মো. দবিরুল ইসলাম, তোফায়েল আহমেদ, মো. আব্দুল মতিন এবং এ কে এম রহমত উল্লাহ।
এছাড়া স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী অধ্যাপক দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে সংসদের পক্ষ থেকে শোক জানানো হয়।
অধিবেশনে দেশের শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সাংবাদিকতা ও সামাজিক অঙ্গনের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ, কবি হেলাল হাফিজ, ছায়ানটের সভাপতি সন্জীদা খাতুন, সংগীতশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসী, লেখক বদরুদ্দীন উমর, নজরুলসংগীত শিল্পী ডালিয়া নওশীন, বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেছা, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, সংঘরাজ ড. জ্ঞানীশ্রী মহাস্থবির এবং সাংবাদিক গাজী রুহুল আমিন।
সংসদ সদস্যরা প্রয়াতদের অবদানের কথা স্মরণ করে তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।
এসআর