চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে সরকারি সফরে চীন যাওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
সফরকালে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিং শহরে অনুষ্ঠিত ৭ম চায়না-সাউথ এশিয়া কো-অপারেশন ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের বহুমুখী সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী শিগগিরই রাষ্ট্রীয় সফরে বেইজিং সফর করবেন। এই সফর দুই দেশের বন্ধুত্ব, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ফোরামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কায়সার কামাল অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা এবং বাণিজ্য খাতে চীনের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং ভবিষ্যতে এসব খাতে আরও বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। দুই দেশের নেতৃত্ব এই সম্পর্ককে আরও গভীর ও কার্যকর পর্যায়ে নিয়ে যেতে আগ্রহী।
ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চীন, দক্ষিণ এশিয়া এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সেখানে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে ডেপুটি স্পিকারের পাশাপাশি কয়েকজন সংসদ সদস্যও উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফর দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন গতি সঞ্চার করতে পারে।
এসআর