[email protected] বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

হার্টের স্টেন্টের নতুন মূল্য নির্ধারণ, অনেক ক্ষেত্রে বড় অঙ্কে কমলো দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ জুন ২০২৬ ৬:১৪ পিএম

সংগৃহীত ছবি

হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত করোনারি স্টেন্ট বা হার্টের রিংয়ের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের স্টেন্টের দাম আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মূল্য হ্রাস পেয়েছে কয়েক হাজার টাকা, আবার কিছু স্টেন্টের ক্ষেত্রে কমেছে প্রায় ৪৮ হাজার টাকা পর্যন্ত।


বুধবার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংস্থাটির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন মূল্য তালিকা অবিলম্বে কার্যকর হবে।


সরকারি সিদ্ধান্তে কর, ভ্যাট, বিভিন্ন প্রশাসনিক ব্যয়, কমিশন এবং আমদানিকারকদের যৌক্তিক মুনাফার বিষয় বিবেচনায় রেখে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


প্রকাশিত তালিকায় ২৯টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্টেন্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সেখানে দেখা যায়, অনেক স্টেন্টের দাম ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৪৭ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে।


নতুন মূল্য কার্যকরের পাশাপাশি দেশের সব কার্ডিয়াক হাসপাতালের জন্য কয়েকটি নির্দেশনাও জারি করেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। নির্দেশনা অনুযায়ী, হাসপাতালগুলোকে হালনাগাদ মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে টানাতে হবে এবং অনুমোদিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের বেশি দামে স্টেন্ট বিক্রি করা যাবে না।


এছাড়া রোগীদের কাছে স্টেন্টের নাম, প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও মূল্য উল্লেখ করে আলাদা রসিদ প্রদান করতে হবে। অস্ত্রোপচারের পর ব্যবহৃত স্টেন্টের খালি প্যাকেটও রোগীর কাছে হস্তান্তর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।


অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের হাসপাতালগুলোতে স্টেন্ট সরবরাহ ও বিক্রির বিষয়টি নিয়মিত তদারকির আওতায় রাখা হবে যাতে নির্ধারিত মূল্যের বাইরে কোনো অনিয়ম না ঘটে।


বর্তমানে নতুন তালিকায় স্টেন্টের দাম সর্বনিম্ন ১৪ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ ৬৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশে ব্যবহৃত অধিকাংশ স্টেন্ট বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারত থেকেও এসব চিকিৎসা সরঞ্জাম দেশে আসে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর