ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে গত ২৫ মে থেকে টানা সাত দিনের সাধারণ ছুটি শুরু হওয়ার পর থেকেই রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন নগরবাসীর বড়
একটি অংশ। কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে গ্রামের বাড়ির পথে রওনা হওয়ায় রাজধানী ঢাকা এখন অনেকটাই ফাঁকা হয়ে পড়েছে।
এর সঙ্গে টানা বৃষ্টির প্রভাব মিলিয়ে রাজধানীর ব্যস্ততম সড়কগুলোতেও কমে এসেছে যানবাহন ও মানুষের চলাচল এবং চিরচেনা যানজট, হর্নের শব্দ আর ব্যস্ততার বদলে এখন নগরজুড়ে দেখা মিলছে অনেকটাই শান্ত ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশের। বুধবার (২৭ মে) সকালে রাজধানীর মিরপুর, বনানী, মহাখালী, বিজয় সরণিসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রধান সড়কগুলোতে কিছু গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়ির চলাচল থাকলেও অলিগলি ও সংযোগ সড়ক প্রায় ফাঁকা এবং অন্যান্য দিনের তুলনায় যানবাহনের চাপ অনেক কম থাকায় কোথাও দীর্ঘ যানজট চোখে পড়েনি। সকালে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হওয়ায় প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘরের বাইরে বের না হওয়ায় সড়কে মানুষের উপস্থিতিও ছিল তুলনামূলক কম। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে অনেক বাস যাত্রীর অপেক্ষায় দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
গাবতলী-গাজীপুর রুটে চলাচলকারী বসুমতি পরিবহনের হেলপার সোহেল এবং মোহাম্মদপুর-আব্দুল্লাহপুর রুটের প্রজাপতি পরিবহনের হেলপার রুবেল জানান, ঈদের ছুটি ও বৃষ্টির কারণে সকাল থেকে যাত্রী খুবই কম, তবে রাস্তা ফাঁকা থাকায় গাড়ি দ্রুত চলাচল করতে পারছে এবং অনেক কম সময়েই গন্তব্যে পৌঁছানো যাচ্ছে।
ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরাও জানিয়েছেন যে, গাড়ির চাপ কম থাকায় দায়িত্ব পালনে তাদের খুব বেশি বেগ পোহাতে হচ্ছে না। প্রসঙ্গত, ঈদুল আজহার টানা সাত দিনের ছুটি শেষে আগামী ১ জুন (সোমবার) থেকে দেশের সব সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস-আদালত পুনরায় খুলবে।
এসআর