সরকারের নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, নতুন বেতন কমিশনের প্রস্তাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
বর্তমানে ১৩তম গ্রেডে কর্মরত শিক্ষকদের মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সুপারিশ নিয়ে আলোচনা চলছে।
পাশাপাশি ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও তুলনামূলক বেশি হারে বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।
এ ছাড়া টিফিন ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর বিষয়েও সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ফলে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মচারীরা বাড়তি সুবিধা পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের মধ্যে কিছুটা অনিশ্চয়তাও রয়েছে।
নতুন পে স্কেল চালু হলে তারা সরকারি কর্মচারীদের মতো একই হারে বেতন-ভাতার সুবিধা পাবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ কারণে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগও দেখা দিয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে বিদ্যমান সরকারি বেতন ব্যবস্থার আওতায় থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতনের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধাও সমন্বয় করা হতে পারে।
এসআর