[email protected] শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৫ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রতিদিন কলা খাওয়া কি নিরাপদ? জেনে নিন বিস্তারিত

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৭:১২ এএম

কলা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এবং পুষ্টিকর ফল। এটি যেমন সরাসরি খাওয়া যায়, তেমনি স্মুদি বা

 বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরিতেও এর জুড়ি নেই। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে—প্রতিদিন কলা খাওয়া কি সবার জন্য ঠিক? বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি কতটা নিরাপদ?


​১. কলায় চিনির পরিমাণ কত?
​একটি মাঝারি আকারের কলায় (প্রায় ১১৮ গ্রাম) আনুমানিক ১৪ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি থাকে। এই চিনি মূলত ফ্রুক্টোজ, গ্লুকোজ এবং সুক্রোজের মিশ্রণ। শুনতে বেশি মনে হলেও, কলায় থাকা ফাইবার এই চিনি শোষণের গতি কমিয়ে দেয়। ফলে সুস্থ মানুষের রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। তবে মনে রাখবেন, কলা যত বেশি পাকে, তার স্টার্চ তত বেশি চিনিতে রূপান্তরিত হয়।


​২. রক্তে শর্করার ওপর প্রভাব
​কলা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে কারণ এতে কার্বোহাইড্রেট থাকে। একটি মাঝারি কলায় প্রায় ২৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে।


​সুস্থ ব্যক্তিদের জন্য: কলার ফাইবার শর্করাকে স্থিতিশীল রাখে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়।
​ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য: যারা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের জন্য আধা-পাকা বা কম পাকা কলা বেছে নেওয়া ভালো। কারণ কাঁচাটে কলায় 'প্রতিরোধী স্টার্চ' থাকে যা ধীরে হজম হয়।


​৩. ওজন বৃদ্ধি ও কলা
​কলা সরাসরি ওজন বাড়ায় না, তবে উচ্চ-ক্যালোরিযুক্ত ডায়েটের অংশ হিসেবে এটি ওজন বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। একটি কলায় প্রায় ১০০-১১০ ক্যালোরি থাকে। আপনি যদি প্রতিদিন দুধ, বাদাম বা ওটসের সাথে একাধিক কলা খান, তবে তা ওজন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।


​প্রতিদিন কয়টি কলা খাওয়া উচিত?
​পুষ্টিবিদদের মতে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রতিদিন একটি মাঝারি আকারের কলা খাওয়া সম্পূর্ণ নিরাপদ। এটি শরীরকে প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬ এবং ফাইবার সরবরাহ করে।
​বিশেষ সতর্কতা: > * ডায়াবেটিস রোগী: কার্বোহাইড্রেটের হিসাব মিলিয়ে পরিমিত পরিমাণে খাবেন।


​কিডনি রোগী: কলায় প্রচুর পটাশিয়াম থাকায় কিডনি জটিলতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কলা খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর