[email protected] শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৫ ফাল্গুন ১৪৩২

জেনে নিন কুসুম গরম পানির জাদুকরী গুণ

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ৮:০৯ এএম

ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের জীবনযাত্রায় আসে নানা পরিবর্তন। বিশেষ করে

 শীতকালে গরমের মতো ঘাম হয় না বা সামান্য পরিশ্রমে তেষ্টাও পায় না। ফলে অবচেতনভাবেই আমরা পানি পান কমিয়ে দেই। কিন্তু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতে শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং সুস্থ থাকতে পানির কোনো বিকল্প নেই।


​কেন শীতেও পর্যাপ্ত পানি প্রয়োজন?
​শরীরের ৭০ শতাংশই পানি। তাই সারা বছরই পানির ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। শীতে পানি কম পান করলে দেহে পানিশূন্যতা তৈরি হয়, যার ফলে:


​অকারণে প্রচণ্ড ক্ষুধা লাগা।
​হজম প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটা।
​মারাত্মক কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেওয়া।


​কার জন্য কতটুকু পানি?
​পানির চাহিদা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়। বয়স এবং পরিশ্রমের ওপর ভিত্তি করে একটি সাধারণ হিসেব নিচে দেওয়া হলো:

ক্যাটাগরি সাধারণ চাহিদা (দৈনিক) অতিরিক্ত পরিশ্রমী/ব্যায়াম করলে
নারী ৬ - ৮ গ্লাস ৮ - ১০ গ্লাস
পুরুষ ৮ - ১০ গ্লাস ১০ - ১৪ গ্লাস

ঠান্ডা নাকি গরম পানি?
​শীতে ঠান্ডা পানির ভয়ে অনেকেই পানি পান এড়িয়ে চলেন। এই সমস্যার সহজ সমাধান হলো হালকা গরম পানি। শীতসহ সারা বছর হালকা গরম পানি পানের অভ্যাস শরীরে ম্যাজিকের মতো কাজ করে।


​হালকা গরম পানি পানের ৫টি অবিশ্বাস্য উপকারিতা:


১. ওজন নিয়ন্ত্রণ: কুসুম গরম পানির সাথে মধু, আদা ও লেবু মিশিয়ে খেলে শরীরের বাড়তি মেদ দ্রুত ঝরে যায়।


২. টক্সিন দূর করা: গরম পানি পানে শরীর ঘামে, যার ফলে ক্ষতিকর টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।


৩. হজম ও গ্যাস্ট্রিক: খাবার পর হালকা গরম পানি পান করলে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা দূর হয় এবং হজম প্রক্রিয়া সহজ হয়।


৪. রক্ত সঞ্চালন: এটি রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।


৫. কোষ্ঠকাঠিন্য মুক্তি: নিয়মিত পানে পেটের সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।


​সুস্থ থাকতে তাই তেষ্টা না পেলেও নির্দিষ্ট সময় অন্তর পানি পান করার অভ্যাস বজায় রাখা জরুরি।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর