ভারতে আগামী ১ নভেম্বর থেকে মোবাইল ফোনে কল এলে নম্বর ছাড়াও কলারের নিবন্ধিত নাম
স্ক্রিনে প্রদর্শনের নতুন ব্যবস্থা চালু হতে যাচ্ছে। অপরিচিত কল শনাক্ত করা ও প্রতারণামূলক ফোনকল প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ বিভাগ (ডিওটি) দেশটির টেলিকম সংস্থাগুলোকে ‘কলিং নেম প্রেজেন্টেশন’ (সিএনএপি) নামের এই প্রযুক্তি কার্যকরের নির্দেশ দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এ সংক্রান্ত তথ্যাদি প্রকাশ পায়।
যেভাবে কাজ করবে নতুন প্রযুক্তি
৪জি ও ৫জি নেটওয়ার্ক: প্রাথমিকভাবে ৪জি ও ৫জি নেটওয়ার্কে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কলদাতার নাম ও নম্বর ভেসে উঠবে। ২জি, ৩জি এবং ফিক্সড ফোন লাইনে (PSTN) এই সেবা চালুর বিষয়টি পরবর্তীতে আলাদাভাবে বিবেচনা করা হবে।
সংরক্ষিত ও অসংরক্ষিত নম্বর: ফোনে নম্বর সেভ করা থাকলে সেই নামই দেখাবে। কিন্তু নম্বর সেভ করা না থাকলে, টেলিকম অপারেটরের গ্রাহক তথ্যে (SIM registration database) নিবন্ধিত যে নাম রয়েছে, সেটি সরাসরি কল গ্রহণকারীর স্ক্রিনে ফুটে উঠবে।
আন্তর্জাতিক কল: বিদেশ থেকে আসা ফোনকলের ক্ষেত্রে কোনো নাম না দেখিয়ে কেবল ‘আন্তর্জাতিক কল’ (International Call) লেখা উঠবে।
গোপনীয়তা ও বিশেষ সুবিধাসমূহ
১. ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা: গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষায় টেলিকম সংস্থাগুলোকে ‘সিকিউরিটি-বাই-ডিজাইন’ নীতি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কল কেটে যাওয়ার পর গ্রাহকের নাম সংক্রান্ত তথ্য জমা বা সংরক্ষণ করে রাখা যাবে না।
২. পরিচয় গোপন রাখার সুযোগ: যারা ‘কলিং লাইন আইডেন্টিফিকেশন রেস্ট্রিকশন’ (CLIR) সেবা ব্যবহার করেন, তাদের পরিচয় বা নাম স্ক্রিনে গোপন রাখা হবে।
৩. ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নাম: ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা একাধিক কানেকশন ব্যবহারকারীরা নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক বা জিএসটি (GST) পোর্টালে নথিভুক্ত অনুমোদিত নাম ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। তবে এ ক্ষেত্রে কাগজপত্র সঠিকভাবে যাচাই করবে টেলিকম অপারেটরগুলো।
এসআর