ভেনেজুয়েলায় গত সপ্তাহে মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার পরপর দুটি ভয়াবহ
ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১,৭১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ৮০০টি ভবন ধসে পড়েছে। ভূমিকম্পের পর ৫০০টিরও বেশি পরাঘাত হয়েছে, যার মধ্যে সর্বশেষ সোমবার কারাকাস ও লা গুয়াইরায় ৪.৬ মাত্রার পরাঘাত অনুভূত হয় এবং এসব দুর্যোগে অন্তত ২,৫০০টি স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির মঙ্গলবারের (৩০ জুন) প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সহায়তা পৌঁছালেও ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধারের গুরুত্বপূর্ণ সময় পেরিয়ে যাওয়ায় আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে, তবে সোমবার ভোরে ১০০ ঘণ্টারও বেশি সময় আটকে থাকার পর ২১ বছর বয়সী এক যুবককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা বন্দরসহ এল জুনকুইতোর মতো পাহাড়ি এলাকার ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ থাকলেও সেখানে সরকারি উদ্ধারকর্মীদের চেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারাই শাবল, হাতুড়ি ও কোদাল দিয়ে স্বজনদের খোঁজার প্রধান দায়িত্ব পালন করছেন।
যদিও দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এটিকে ভেনেজুয়েলার ইতিহাসের ‘সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ’ আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন যে ২৫ হাজারেরও বেশি জরুরি কর্মী, পুলিশ ও সেনাসদস্য মানুষের সহায়তায় কাজ করছেন এবং বাস্তুচ্যুতদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়শিবির ও বাড়ির নিরাপত্তা নির্ধারণে রঙভিত্তিক সংকেত পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে।
এদিকে জাতিসংঘের আবাসিক মানবিক সমন্বয়কারী জিয়ানলুকা রামপোলা দেল তিনদারো জানিয়েছেন যে মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারে এবং উদ্ধার অভিযানের অংশ হিসেবে জাতিসংঘ ১০ হাজার মৃতদেহ সংরক্ষণের ব্যাগ সংগ্রহ করছে।
এসআর