সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
নীতিমালার ১৭ নম্বর ধারায় বিভিন্ন শ্রেণির জন্য নির্ধারিত কোটা ও আসন সংরক্ষণের বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, মোট ১৪ শতাংশ সাধারণ কোটার মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এবং নাতি-নাতনিদের জন্য ৫ শতাংশ আসন রাখা হয়েছে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ ২ শতাংশ। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্যও ২ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
এ ছাড়া একই বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সহোদর বা সহোদরার জন্য ৩ শতাংশ এবং যমজ ভাই-বোনের জন্য ২ শতাংশ আসন নির্ধারণ করা হয়েছে।
এসব কোটা মিলিয়ে সাধারণ কোটার মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ শতাংশ।
ঢাকা মহানগরের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে ক্যাচমেন্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ জন্য মোট আসনের ৪০ শতাংশ সংরক্ষিত থাকবে।
বাকি ৬০ শতাংশ আসনে অন্যান্য এলাকার শিক্ষার্থীরাও ভর্তির সুযোগ পাবে। অন্যদিকে, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য মোট আসনের ১০ শতাংশ সংরক্ষণের বিধান রাখা হয়েছে।
চাকরির প্রয়োজনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি হলে তাদের সন্তানদের ভর্তির সুবিধা নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতি শাখায় অতিরিক্ত ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে।
নীতিমালায় ভর্তি কার্যক্রম তদারকির জন্য ঢাকা মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক ভর্তি কমিটি গঠনের কথাও বলা হয়েছে। এসব কমিটি ভর্তি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ করবে।
এসআর