সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও যারা এখনো নিয়োগপত্র হাতে পাননি, তাদের পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের আগে প্রার্থীদের বিভিন্ন তথ্য যাচাই ও ভেটিং সম্পন্ন করা একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই নিয়োগের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
এর আগে পুলিশি যাচাই-বাছাইয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১ অক্টোবর নিজ নিজ জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদানের কথা রয়েছে।
এদিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া কয়েকজন প্রার্থী ইতোমধ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়েও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তুলে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। পরবর্তীতে মে মাসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নির্বাচিত প্রার্থীদের পুলিশি ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়। এ যাচাইয়ের আওতায় প্রার্থীদের নথিপত্রসহ অতীত কর্মকাণ্ডের তথ্যও পর্যালোচনা করা হয়।
এর আগে ৩ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত কোনো প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হবে না।
এসআর