২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তি আবেদনের প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।
সোমবার আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণের নির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে। এরপর আবেদনকারীদের মেধাক্রম ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে নির্বাচনের ফল প্রকাশ করা হবে।
ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। এজন্য আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় রাখা হয়েছে।
এ সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন সম্পন্ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মূল ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে গত ২৪ আগস্ট ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করে।
প্রাথমিকভাবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণের শেষ সময় ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে সময় বাড়ানো হয়।
ফলে খাতা চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে ফল পরিবর্তিত হওয়া শিক্ষার্থীরাও আবেদন করার সুযোগ পান।
এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কোনো বাছাই পরীক্ষা বা ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, কলেজগুলোর মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। বাকি ৭ শতাংশ আসন কোটা হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে।
এই ৭ শতাংশের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের ছেলে-মেয়েদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া সনদ যাচাই করে ভর্তি সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে। এই কোটায় মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা না পাওয়া গেলে আসন খালি রাখা যাবে না; মেধাতালিকা থেকে শিক্ষার্থী নিয়ে তা পূরণ করতে হবে।
অন্যদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর বা সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ আসন রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর দপ্তরপ্রধানের প্রত্যয়নপত্র প্রয়োজন হবে। কোটায় আবেদনকারীর সংখ্যা আসনের তুলনায় বেশি হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের মধ্য থেকেই মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।
নীতিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই বিশেষ কোটাব্যবস্থা শুধু ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য কার্যকর থাকবে।
এসআর