[email protected] শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
৪ আষাঢ় ১৪৩৩

চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে ইবি উপাচার্যের তাগিদ

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৮ জুন ২০২৬ ৭:২৬ পিএম

সংগৃহীত ছবি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পের বাকি কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. মতিনুর রহমান। তিনি প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করতে আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান মেগা প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় প্রকল্পের বিভিন্ন কাজের বর্তমান অবস্থা, নির্মাণ অগ্রগতি এবং অবশিষ্ট কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। 

উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ, গবেষণা কার্যক্রম এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা উন্নয়নের জন্য অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলোর যথাসময়ে বাস্তবায়ন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যেসব কাজ এখনও শেষ হয়নি বা ধীরগতিতে এগোচ্ছে, সেগুলো দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য আধুনিক ও সুবিধাসম্পন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে উন্নয়ন কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়ন অপরিহার্য। এজন্য নির্মাণকাজের মান বজায় রেখে দ্রুত প্রকল্প শেষ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভায় প্রকল্প পরিচালক ড. মো. নবাব আলী, প্রধান প্রকৌশলী শরিফ উদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুলসহ প্রকৌশল দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রকল্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার ও তাঁদের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবশিষ্ট কাজ শেষ করতে তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেগা প্রকল্পের আওতায় মোট নয়টি ১০ তলা নতুন ভবন নির্মাণের পাশাপাশি ১১টি বিদ্যমান ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন স্থাপনাগুলোর মধ্যে ছাত্র ও ছাত্রী হল, একাডেমিক ভবন, শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবাসন, দ্বিতীয় প্রশাসনিক ভবন এবং শহীদ আনাস হলের দ্বিতীয় ব্লক অন্তর্ভুক্ত। যদিও সম্প্রসারণকাজের বেশিরভাগ অংশ শেষ হয়েছে, নতুন কয়েকটি ভবনের কাজ এখনো চলমান।

শহীদ আনাস হলের দ্বিতীয় ব্লকে শিক্ষার্থী বরাদ্দ দেওয়া হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কক্ষ বুঝিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া এখনও সম্পন্ন হয়নি।

 

এসআর

সম্পর্কিত খবর