[email protected] শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
৯ কার্তিক ১৪৩৩

রাজধানীর বাজারে শীতকালীন সবজির আগমন, কমেছে ডিমের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৪২ পিএম

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর কাঁচামালের বাজারে শিম, ফুলকপি ও মূলার মতো শীতকালীন সবজির উপস্থিতি বাড়তে

 শুরু করেছে। এর ফলে কিছু সবজির দাম কিছুটা কমেছে। এছাড়া গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

​শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

​সবজির বাজারদর

​বাজারে বর্তমানে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া। প্রতি কেজি পেঁপে ৩০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মানভেদে অন্যান্য সবজির দাম নিম্নরূপ:

​ফুলকপি, ঝিঙা, কচুমুখি ও পটোল: প্রতি কেজি ৮০ টাকা (ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতি পিস ৭০ টাকা)।

​বেগুন ও কাঁকরোল: প্রতি কেজি ৮০ টাকা।

​মুলা ও ঢ্যাঁড়স: প্রতি কেজি ৭০ টাকা।

​আগাম শিম: প্রতি কেজি ১২০ টাকা।

​টমেটো: প্রতি কেজি ১৪০ টাকা।

​কাঁচা মরিচ: মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি।

​লাউ: প্রতি পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা।

​ক্রেতাদের মতে, বাজারে বর্তমানে লাউ ও পেঁপে সবচেয়ে কম দামে মিলছে, আর সবচেয়ে দামি তালিকার শীর্ষে রয়েছে টমেটো ও শিম।

​মুরগি ও ডিমের বাজার

​মাংস ও ডিমের বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন না থাকলেও ডিমের দাম কিছুটা কমেছে।

​ডিম: প্রতি ডজন ব্রাউন ডিম ১৪০ টাকা এবং সাদা ডিম ১৩০ টাকা (হালি ৪৬ টাকা) দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ১৫০ টাকা পর্যন্ত ছিল।

​মুরগি: ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮৫ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস আগের মতোই ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

​মাছের বাজার

​মাছের বাজারেও আগের দামই বজায় রয়েছে। আকার, মান ও জীবিত বা মৃতের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন মাছের দাম নিচে দেওয়া হলো:

​তেলাপিয়া: ২৫০–২৬০ টাকা কেজি।

​পাঙাশ: ২০০–২২০ টাকা কেজি।

​মৃগেল: ২৫০–৩০০ টাকা কেজি।

​রুই: ৪৫০–৫০০ টাকা কেজি।

​কাতল: ৩৫০–৮০০ টাকা কেজি।

​পাবদা: ৩৫০–৪০০ টাকা কেজি।

​চাষের কই: ৩০০ টাকা (দেশি কই ৭০০–৮০০ টাকা)।

​চিংড়ি: ৮০০–১,১০০ টাকা কেজি।

​ট্যাংরা: ৭০০ টাকা কেজি।

​ভেটকি: ৪০০–৫৫০ টাকা কেজি।

​বাইম ও শইল: ৬০০–৮০০ টাকা কেজি।

​পোয়া: ২৬০ টাকা কেজি।

​চাষের শিং: ৩০০–৪৫০ টাকা কেজি।

​এছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছের কেজি হাজার টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের মতে, ছুটির দিন সকালে মাছের চাহিদা বেশি থাকায় দাম কিছুটা বেশি থাকে, যা বিকেলে কমে আসে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর