ট্রান্সফর্ম, গ্রোথ ও সাসটেইনেবিলিটি’কে সামনে রেখে ভবিষ্যতে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার প্রত্যয়ে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়। এ উপলক্ষে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কেক কাটার আয়োজন করা হয়।
এতে কেক কাটেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল ও কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন ফকির।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, সাত বছরের পথচলায় কমিউনিটি ব্যাংক গ্রাহকদের আস্থা ও নিজেদের সক্ষমতা অর্জন করেছে।
ভবিষ্যতে আধুনিক, জনবান্ধব ও টেকসই ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকটি আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, পরিবর্তন, প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে কমিউনিটি ব্যাংককে আগামী দিনে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নেওয়াই এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল প্রত্যয়।
তিনি বলেন, সাত বছরে ব্যাংক একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
এখন পরিবর্তনশীল ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি সেবার মান উন্নত করতে হবে। একই সঙ্গে গ্রাহকের আস্থা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্বশীল এবং টেকসই ব্যাংকিং কার্যক্রম জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই কমিউনিটি ব্যাংকের অন্যতম বড় শক্তি। তাদের দক্ষতা, নিষ্ঠা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভবিষ্যতের সম্ভাবনাগুলোকে বাস্তব সাফল্যে রূপ দেওয়া সম্ভব হবে।
এদিকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়েও কেক কাটার আয়োজন করা হয়।
ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এতে অংশ নেন। এ সময় ব্যাংকের সাত বছরের পথচলা, বিভিন্ন অর্জন ও অভিজ্ঞতা নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন তারা।
অনুষ্ঠানে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অতীতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সাফল্যের কথা তুলে ধরে ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ব্যাংকের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন, উন্নত সেবা ও টেকসই প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের আর্থিক খাতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার লক্ষ্য রয়েছে তাদের।
একই সঙ্গে ২০২৯ সালের মধ্যে কমিউনিটি ব্যাংককে একটি আস্থাশীল, টেকসই ও ক্যাশলেস ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়েও কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
এসআর