[email protected] শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

রাজধানীর বাজারে ডিম ও মুরগির দাম চড়া, তেল-চিনিসহ মাছের বাজারেও অস্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯:১০ এএম

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে ডিম ও মুরগির দাম এখনো চড়া। এক মাসের বেশি

 সময় ধরে ফার্মের মুরগির ডিম ডজনপ্রতি ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় পৌঁছেছে, যা সীমিত আয়ের মানুষের জন্য কেনা কঠিন করে তুলেছে।

​বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, গত আগস্টের শুরুতে এ দুটি পণ্যের দাম বাড়ে। এর আগে ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকা কেজি এবং ডিম ১৩০-১৪০ টাকা ডজনে মিলত। গত কয়েক মাসের প্রচণ্ড গরম, অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে বিভিন্ন খামারে মুরগি মারা যাওয়ায় সরবরাহ কমে গেছে। অনেক খামারি ক্ষতির পর নতুন করে উৎপাদনে আসেননি, আর নিয়মিত লোডশেডিংয়ের সমস্যাও খামার ব্যবস্থাপনায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

​একইভাবে সোনালি মুরগির দামও সপ্তাহে কেজিতে প্রায় ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকায়। তবে হাইব্রিড সোনালি বা কালারবার্ডের দাম কিছুটা কম, প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা।

​মাছের বাজারেও নেই স্বস্তি। রুই, কাতলা, পাবদা, তেলাপিয়া ও পাঙাশসহ বেশিরভাগ মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। চাষের পাঙাশ ২৫০-৩০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০-২৮০ টাকা, আড়াই থেকে তিন কেজি ওজনের রুই ৪০০ টাকা এবং কাতলা ৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

​অন্যদিকে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে। অধিকাংশ সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে মিললেও বরবটি, বেগুন ও কাঁচা মরিচের কেজি এখনো ১০০ টাকার উপরে।

​তেল ও চিনির বাজারও ক্রেতাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। গত ২ সেপ্টেম্বর বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়ানোয় বর্তমান দাম দাঁড়িয়েছে ২০৪ টাকা। খোলা চিনি এক মাস আগের ১০৫-১১০ টাকা থেকে বেড়ে এখন ১১৫ টাকা এবং প্যাকেটজাত চিনি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

​সুগন্ধি বা পোলাওয়ের চালের কেজি এখনো প্রায় ২০০ টাকার কাছাকাছি। বিদেশে চাল রপ্তানির সুযোগ থাকার কারণে বাজারে সরবরাহ কমে এই দাম বাড়ে। অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ ঠিক রাখতে সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সুগন্ধি চালের রপ্তানি কোটা ৫০ শতাংশ কমানোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। তবে খুচরা বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এসআর

সম্পর্কিত খবর