[email protected] সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
১৬ ভাদ্র ১৪৩৩

সংসদ ভবন অভিমুখে ১১ দলের পদযাত্রা, গুম প্রতিরোধ আইন করার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩০ আগষ্ট ২০২৬ ৬:০৭ পিএম

সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে পদযাত্রা ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট।

 কর্মসূচি থেকে গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশের সুপারিশগুলো অপরিবর্তিত রেখে পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ দেওয়াসহ গুমের শিকার ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছে।


রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটর মোড় থেকে পদযাত্রাটি শুরু হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মিছিলটি সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় পৌঁছায়।


‘বাংলাদেশ গুম প্রতিরোধ দিবস পালন জাতীয় কমিটি’র ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোটের সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, জামায়াতে যোগ দেওয়া সাবেক বিএনপি নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এবং জাগপার মুখপাত্র ও সহসভাপতি রাশেদ প্রধান উপস্থিত ছিলেন।


এ ছাড়া এবি পার্টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা কর্মসূচিতে অংশ নেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গুমের শিকার ব্যক্তিদের কয়েকজন এবং তাদের পরিবারের সদস্যরাও এতে যোগ দেন।


পদযাত্রার আগে বিকেল ৩টার দিকে বাংলামোটরের রূপায়ন ট্রেড সেন্টারের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়। ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ জাতীয় কমিটি’র উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুমের শিকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান।


সমাবেশে তিনি সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রণীত গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ দ্রুত পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত করার দাবি জানান। এ সময় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন বক্তারা। মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানসহ কয়েকজন নেতা সমাবেশে বক্তব্য দেন।


সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা সংসদ ভবনের দিকে পদযাত্রা করেন। এ সময় তারা গুম ও ‘আয়নাঘর’ প্রসঙ্গে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পাশাপাশি নিখোঁজ ও গুমের ঘটনায় দায়ীদের বিচারের দাবিও তুলে ধরেন তারা।


পরে সংসদের স্পিকারের কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এতে গুম কমিশনের প্রতিবেদনে থাকা সুপারিশগুলো কোনো পরিবর্তন না করে আইনে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।


স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে গুমের শিকার ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দিতে হবে এবং তাদের যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর