চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৮ নম্বর কাদলা ইউনিয়নের রঘুনাথপুর বাজারে সরকারি হাটের শেডের ওপর নির্মিত একটি অস্থায়ী দোকান প্রশাসনের নির্দেশে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রবিউল ইসলামের উপস্থিতিতে দোকানটি অপসারণ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাদলা মৌজার সাবেক ১৫৫০ দাগের বর্তমান বিএস ২২২৪/৩৭৫৯ দাগের পাঁচ শতাংশ জমি নুরুল ইসলাম বেপারী ক্রয় করেন।
জমিটি নিজেদের মালিকানাধীন দাবি করে তাঁর ছেলেরা সরকারি হাটের শেডের ওপর একটি অস্থায়ী দোকানঘর নির্মাণ করেন।
এ নিয়ে জমির মালিকানা এবং সরকারি শেডের সীমানা সম্পর্কে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দেয়। পরে বিষয়টি বিভিন্ন দপ্তরে জানানো হলে ভূমি অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সাংবাদিকেরা সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় নুরুল ইসলাম বেপারীর ছোট ছেলে ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম জমির দলিল, নামজারি-সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের দাখিলা উপস্থাপন করেন।
এসব নথি যাচাইয়ের পর জমির মালিকানা তাঁর বাবার বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে জমির মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র থাকলেও সরকারি শেডের ওপর দোকান নির্মাণের বিষয়টি আলাদা বিবেচনায় নেয় প্রশাসন।
উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা দোকানটি সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। একই সঙ্গে বাজারের নির্ধারিত সীমানা বা পেরিফেরি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্টদের অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।
ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু নাছিরের নির্দেশে সরকারি শেডের ওপর থেকে দোকানটি সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।
জমির কাগজপত্র সঠিক থাকলেও বাজারের নির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
অন্যদিকে, ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম বলেন, তাঁর বাবার কেনা জমিতে দোকান নির্মাণ করা হয়েছিল এবং তাঁদের কাছে প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। তিনি দাবি করেন, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এসআর