[email protected] রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
১০ কার্তিক ১৪৩৩

বীরগঞ্জে পরিবেশ রক্ষা ও মা-শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতামূলক সভা

দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৭:৫৯ পিএম

সংগৃহীত ছবি

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে পরিবেশ সংরক্ষণ, পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাব এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নের ভাবকী এলাকায় পল্লী সেবা সংস্থার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা, পলিথিনের ব্যবহার কমানো এবং মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

ড. মো. সানাউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমা খাতুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম এবং ৮ নম্বর ভোগনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রাজিউর রহমান রাজু।

সজিব রহমান সবুজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম, পল্লী সেবা সংস্থার এরিয়া ম্যানেজার পারুল খানম, সংস্থাটির সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি শিক্ষক নজরুল ইসলাম, ভোগনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সাব্বির হোসেন রয়েল, সমাজসেবক মাসুম ইসলাম এবং ভোগনগর ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি রুহুল আমিন বাবুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করার পাশাপাশি মাটি ও পানি দূষণের কারণ হতে পারে। এর ফলে জনস্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পলিথিনের ব্যবহার কমানো এবং এর পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বক্তারা আরও বলেন, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিবার ও সমাজের সচেতন ভূমিকা জরুরি। স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও সুমা খাতুন বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হতে হবে। বিশেষ করে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে পরিবার ও সমাজের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে পরিবেশ সংরক্ষণ, পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাব এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এসআর

সম্পর্কিত খবর