যশোর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নীতির আলোকে রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তাঁর জানা মতে, রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে এ ধরনের ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগটি ব্যতিক্রমী।
যশোর জেলা বিএনপির এই উদ্যোগ অন্য দলগুলোকেও নিজ নিজ কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে উৎসাহিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে কার্যালয়ে দুই কিলোওয়াট ক্ষমতার সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে।
ভবিষ্যতে ছাদে আরও একটি প্যানেল বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
উৎপাদিত বিদ্যুৎ সংরক্ষণে লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা প্রায় তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যাকআপ দিতে পারবে।
এ ছাড়া অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের পরিকল্পনাও রয়েছে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
এ লক্ষ্য অর্জনে নীতিগত সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, যশোরসহ দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিকাজে ব্যবহৃত সেচ পাম্পগুলো পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ডিজেল ও প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমবে। একই সঙ্গে কৃষকের সেচ খরচ ও উৎপাদন ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।
জেলা বিএনপি কার্যালয়ের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা যথেষ্ট হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর প্রত্যাশা, প্রকল্পটির পেছনে করা বিনিয়োগ তিন থেকে সাড়ে তিন বছরের মধ্যে উঠে আসবে।
অনুষ্ঠানে যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম ও শহিদুল বারী রবু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদ, সদস্যসচিব আনসারুল হক রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমির ফয়সাল, সদস্যসচিব রাজিদুর রহমান সাগর, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পি এবং সদস্যসচিব শাহনেওয়াজ ইমরানসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসআর